সরেজমিন প্রতিবেদন ,রাজাপুরে ঈদের বিশেষ বরাদ্ধের চাল বিতরণে ব্যাপক দূর্নীতি - অনলাইন দৈনিক সমবাদ,সত্য সংবাদ প্রকাশে ২৪ঘন্টা,True News publish the 24 hours "Online Daily Samobad"

শিরোনাম

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Thursday, August 09, 2018

সরেজমিন প্রতিবেদন ,রাজাপুরে ঈদের বিশেষ বরাদ্ধের চাল বিতরণে ব্যাপক দূর্নীতি






খলিলুর রহমান,ঝালকাঠি: ঝালকাঠির রাজাপুরে ঈদের বিশেষ বরাদ্ধের চাল বিতরণে ব্যাপক দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার বড়ইয়া ইউনিয়নের দুঃস্থদের মাঝে বিনামূল্যে ঈদুল আযহার বিশেষ বরাদ্ধের চাল বিতরণ করা হয়। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী এ বছর ১০ কেজি চালের স্থলে ২০ কেজি করে চাল দেয়ার নির্দেশ রয়েছে। উপজেলা ত্রান অফিস সূত্রে জানাগেছে, এ ঈদের মৌসুমে বড়ইয়া ইউনিয়নে মোট ১৪৪৫ টি নামে ২০ কেজি হারে মোচট ২৮,৯০০মে,টন চাল বরাদ্ধ দেয়া হয়েছে। বিতরণ কালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। ২০ কেজির স্থলে প্রত্যেক সুবিধা ভুগি সদস্যকে ১০ কেজি হারে চাল বিতরণ করা হচ্ছে। ১০ কেজি হারে বিতরণ করলেও তাতেও ১০ কেজির স্থলে ৯ কেজির বেশি চাল বিতরন করা হচ্ছে। ঘটনা স্থলে গিয়ে ট্যাগ অফিসার উপজেলা প্রাথমিক সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আসাদুজ্জামান ও ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ শাহ আলম মন্টুকে ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্সের নিজ কক্ষে খোশ আলাপে ব্যস্থ থাকতে দেখা যায়। এব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ শাহআলম মন্টুর কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমি প্রত্যেক ইউপি সদস্যকে নির্দেশ দিয়েছি ২০ কেজি হারে প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চাল বিতরণ করতে। কিন্তু ইউপি সদস্যরা যদি কোন পরিবারকে চাল কম বিতরণ করে এ জন্য তারাই দায়ী। ট্যাগ অফিসারের দায়িত্ত্ব সম্পর্কে তার কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, চেয়ারম্যন সাহেব আমাকে চা খেতে ডেকেছেন। তাই তার কক্ষে এসেছি। ১০ কেজি করে চাল বিতরণের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমি উপস্থিত থাকা অবস্থায় ২০ কেজি করে চাল বিতরণ করেছে। আমি আসার পরে ইউপি সদস্যরা কত কেজি হারে চাল বিতরণ করছেন তা আমি জানিনা। ২০ কেজির স্থালে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করায় এলাকার দুস্থ মানুষের মনের ক্ষোভ প্রকাশে রুপ নিয়েছে।এই সময় দুজন সুবিধাভোগী তাদেরকে দেয়া ১০ কেজি চাল ফেরৎ দিয়েছে।কারন তাহারা জানেনা যে তাদের প্রত্যেকের নামে বরাদ্ধ হয়েছে ২০ কেজি চাল। বাকিরা সকলে ২০ কেজি হারে চালের দাবীতে বিক্ষুদ্ব হয়ে পরে। এ ঘটনায় স্থানীয় সুধিজনরা নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। সাংবাদিকদের উপস্থিতিতেই ইউপি চেয়ারম্যান চাল বিতরণ সাময়িক ভাবে বন্ধ রাখেন। দুস্থ মানুষরা তাদের ন্যায্য অধিকার পেতে (অর্থাৎ ২০ কেজি হারে চাল পেতে) প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ রিপোট লেখা পর্যন্ত ঐ এলাকার সুবিধা ভোগি দুঃস্থ মানুষের মাঝে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয় সুধিজনরা জানান, ইউনিয়ন পরিষদে চাল বিতরণে দুর্নীতি হয়েছে শুনেছি কিন্তু এত বড় দুর্নীতি আগে কখনো দেখিনি।
Post a Comment

Post Bottom Ad

Pages