হাজারো মানুষের ভোগান্তীর কারন ঝুকিপূর্ন আয়রন ব্রীজটি - অনলাইন দৈনিক সমবাদ,সত্য সংবাদ প্রকাশে ২৪ঘন্টা,True News publish the 24 hours "Online Daily Samobad"

শিরোনাম

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Tuesday, June 12, 2018

হাজারো মানুষের ভোগান্তীর কারন ঝুকিপূর্ন আয়রন ব্রীজটি

www.samobad.com :: সমবাদ ডট কম ॥
এম খাইরুল ইসলাম পলাশ,নিজস্ব প্রতিবেদক:ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার পাড়গোপালপুর এলাকায় একটি ঝুকিপূর্ন ব্রীজের সংস্কারের অভাবে ঝুকিপূর্ন ভাবে চলাচল করছে প্রতিদিন হাজারো মানুষ। ব্রীজটি পারাপারে ঝুকিপূর্ন হওয়ায় ভেস্তে যেতে বসেছে রাজাপুরের সাথে হাজারো মানুষের যোগাযোগ ব্যাবস্থা।রাজাপুর সদর ইউনিয়নের পাড়গোপালপুর ও বারবাকপুর গ্রামের কোল ঘেঁসা এই আয়রন ব্রীজটির বিগত কয়েক বছর পূর্বে লোহার ভার এর এঙ্গেল গুলো খুলে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।

এঙ্গেলগুলো খুলে নেওয়ার কারণে ব্রিজটি এখন খুবই ঝুকিপূর্ণ। প্রতিদিন বাড়ী যানবাহন চলাচল করায় ব্রীজটি হেলে পরার সম্ববনা রয়েছে বলে মনে করেন এলাকাবাসী।এর কারনে যোগাযোগে বিড়ম্বণায় পরতে হবে ওই এলাকা সহ পাশ্ববর্তী কয়েক হাজার মানুষের।

সরেজমিনে দেখাযায়, উপজেলার সদর ইউনিয়নের পাড়গোপালপুর ও বারবাকপুর গ্রামে অবস্থিত ঝুকিপূর্ন আয়রন  ব্রীজটি প্রতিদিন পারহতে হয় কয়েক হাজার মানুষের। আয়রন ব্রিজটির অতি নিকটেই অবস্থিত ১টি প্রাথমিক ও ১টি মধ্যমিক বিদ্যালয়। প্রতিদিন ওই এলাকার স্কুল কলেজগামী শিক্ষার্থী, শিশু, অসুস্থ্যরোগী, বৃদ্ধ-বৃদ্ধাসহ  সহ এলাকার জনগন প্রত্যহ যাতায়াত করে। ঐ এলাকার জনগনের জন্য রাজাপুর উপজেলা শহরে যাতায়াতের একমাত্র ব্রীজ । যদি অন্যদিক থেকে রাজাপুর শহরে আসতে হয় তবে কিলোমিটার পথ ঘুরে আসতে হয়।

বিগত ৪-৫ বছর যাবত ব্রীজটি ঝুঁকিপূর্ণ, এমনকি ব্রীজ সংলগ্ন প্রায় ৪ কিলোমিটার রাস্তাটি পাকা হলেও বাড়ী যানবাহন চলাচলের ফলে রাস্তার অনেকাংশে গর্ত হয়েছে। বিশেষ করে বর্ষা সৌসুমে পাকা রাস্তাটিতে গর্ত হয়ে থাকে। ফলে ওই এলাকার জনসাধারণের প্রতিনিয়ত যাতায়াতে দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

এলাকাবাসী আতঙ্কের কথা স্বীকার করে বলেন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে একাধিক বার ধর্ণা দিয়েও কোন কাজে আসেনি।

এ বিষয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও রাজাপুর সদর ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মৃধা মজিবর জানান, ইতিমধ্যে রাজাপুর, লেবুবুনিয়া, সাতুরিয়া ও হালদারখালি রাস্তাটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা হওয়ায় রাস্তাটি আরও চওড়া করার জন্য একটি প্রজেক্টে দেওয়া হয়েছে। রাস্তারটির মধ্যে যে আয়রন ব্রীজগুলো আছে সেগুলো পুনঃনির্মাণ বা সরিয়ে নতুন ব্রীজ নির্মানের জন্য প্রকল্পে দেওয়া হয়েছে। আয়রন ব্রীজগুলো নির্মানের জন্য সার্ভেচঠি আমি ইতিমধ্যে এলজিইডি কর্মকর্তার হাতে দিয়ে এসেছি। আশাকরি ৬ মাসের মধ্যেই অনুমোদন পাওয়া যাবে। অনুমোদন পাওয়ার সাথে সাথেই অতিব দ্রæত কাজ শুরু করা হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী এম এম  লুৎফর রহমান জানান, রাজাপুর থেকে লেবুবুনিয়া রাস্তাটির মধ্যে যে আয়রন ব্রীজগুলি আছে তা ইতিমধ্যে পুনঃনির্মানের জন্য প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। আসাকরি কয়েক মাসের মধ্যেই অনুমোদন পাওয়া যাবে।

এলাকাবাসির দাবি অতি দ্রæত ব্রীজটি পুনঃনির্মান করা হোক,এজন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রতি অনুরোধ জানান তারা ।


Post a Comment

Post Bottom Ad

Pages