ভিজিএফ এর ১৮ বস্তা চালসহ জনতার হাতে কাউন্সিলর আটক - অনলাইন দৈনিক সমবাদ,সত্য সংবাদ প্রকাশে ২৪ঘন্টা,True News publish the 24 hours "Online Daily Samobad"

শিরোনাম

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Monday, June 18, 2018

ভিজিএফ এর ১৮ বস্তা চালসহ জনতার হাতে কাউন্সিলর আটক

www.samobad.com :: সমবাদ ডট কম ॥  ব্রেলভীর চৌধুরী, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ নওগাঁর নজিপুর পৌরসভার উদ্যোগে বৃহস্পতিবার প্রান্তিক পর্যায়ে ভিজিএফ এর চাল বিতরনকালে সেখান থেকে চাল গোপনে সরানোর সময় পৌরসভার ২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর অরুণ পালকে ১৮ বস্তা চাল সহ হাতেনাতে আটক করেছে চাল নিতে আসা ভিজিএফ কার্ডধারীরা সহ এলাকাবাসী। 

জানাগেছে, জেলার পতœীতলায় উপজেলা সদর নজিপুর পৌরসভার উদ্যোগে বৃহষ্পতিবার ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নজিপুর নতুনহাট এলাকার কৃষি বিপনন কেন্দ্রে পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের ৪৬২১ জনকে কার্ডের মাধ্যমে ১০ কেজি করে প্রান্তিক পর্যায়ে ভিজিএফ এর চাল বিতরন কার্যক্রম শুরু হয়। এসময় মেয়র রেজাউল কবির চৌধুরী বাবু প্রত্যেক ভিজিএফ কার্ড ধারীদের ১০ কেজি করে চাল বুঝিয়ে নেয়ার ঘোষনা দেয়ার কিছুক্ষন পরেই ভিজিএফের চাল গোপনে সরানোর সময় পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অরুন পালকে ১৮ বস্তা চাল সহ চাল নিতে আসা ভিজিএফ কার্ডধারীরা ও এলাকাবাসী হাতেনাতে আটক করে অবরুদ্ধ করে রাখে। এঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে সেখানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

এসময় ঘটনার কথা জেনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা পারভীন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পতœীতলা সার্কেল তারেক জুবায়ের, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মাহবুবুর রহমান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে উপস্থিত চাল নিতে আসা ভিজিএফ কার্ডধারী ও এলাকাবাসী উক্ত কাউন্সিলর অরুন পালকে আটকের দাবী করলেও কৌশলে তারা দায়িত্ব এড়িয়ে ঐ কাউন্সিলরকে ছেড়ে দিয়ে পৌর মেয়রকে পুনরায় চাল বন্টনের দায়িত্ব দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

এবিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মাহবুবুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, পৌরসভার ভিজিএফের চাল বরাদ্দ সমন্ধে তার কিছু জানা নেই। তবে তিনি আরো জানান, উপজেলার ১১টি ইউপির ১৩ হাজার ৩৬৩জন ভিজিএফ কার্ডধারীকে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বুধবার এবং বৃহষ্পতিবার সরকারী ভাবে ১৩৩.৬৩০ মেঃটন চাল বিতরন করা হয়েছে। 

এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা পারভীনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি আরো জানান, পৌরসভার চাল বিতরনের ব্যাপারে উপজেলা প্রশাসনের কোন হাত নেই। তবে তিনি পৌর মেয়রকে সুষ্ঠু ভাবে চাল বিতরনের জন্য বলেছেন।
#########
পতœীতলায় ৫০ শয্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডাক্তার সংকট সহ নানা অনিয়ম, রোগীরা চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত

ব্রেলভীর চৌধুরী, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ নওগাঁ জেলার পরেই অতি গুরুত্ব পূর্ন পতœীতলা উপজেলা। এ উপজেলায় প্রায় আড়াই লক্ষ মানুষের বসবাস। উপজেলার মানুষ গুলোর সেবার জন্য আছে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। এই উপজেলাটি জেলার মধ্যবর্তী হওয়ায় আশেপাশের অন্যন্য উপজেলার রোগীরাও পতœীতলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে থাকে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডাক্তার সংকট সহ নানা অনিয়মে রোগীরা স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

৫০ শয্যা বিশিষ্ট্য পতœীতলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রায় সব উপকরনসহ রোগীদের জন্য বহু মূল্যবান ঔষধ পত্র ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধার ব্যবস্থা থাকলেও এর সুযোগ সুবিধা থেকে সাধারন ও হতদরিদ্র রোগীরা বঞ্চিত হচ্ছে। রোগীদের নি¤œ মানের খাবার, ঔষধ হরিলুট ও নানা অনিয়ম সহ রোগীদের সাথে কর্তব্যরত স্টাপ ও নার্সদের দূর্ব্যবহারে রোগীরা নাজেহাল। এছাড়াও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কিছু অসাধু স্টাফদের সহযোগীতায় রোগীদের বাহিরের ব্যাঙের ছাতার মত গড়ে ওঠা ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার গুলোতে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসা অপারেশনসহ এম.আর, ডি.এন.সি করার জন্যও কৌশলে পাঠানো হয়।

পতœীতলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চাহিদা অনুযায়ী প্রসূতী সিজার সহ অন্যান্য ছোট-খাট অপারেশনের ব্যবস্থা থাকলেও বিশেষজ্ঞ ডাক্তার নার্সের অভাবে রোগীদের পোহাতে হচ্ছে ভোগান্তি। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে বেড়ে গেছে ঔষধ কোম্পানির প্রতিনিধি সহ ক্লিনিক ডায়াগনস্টিক সেন্টারের দালালদের দৌরাত্ব।  রোগীদের অভিযোগ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্যাথলজি পরীক্ষা করা রোগীদেরও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অনেকের সহযোগীতায় এলাকার বেশ কিছু ক্লিনিক ডায়াগোনস্টিক সেন্টারে সুকৌশলে নিয়ে যাওয়া হয়।

সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে গ্রামের হতদরিদ্র অসহায় রোগীদের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার লক্ষে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা বাড়িয়ে আধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যবস্থা করলেও দীর্ঘদিন যাবৎ কর্তৃপক্ষের সুষ্ঠু তদারকি ও অব্যবস্থাপনা এবং স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত ডাক্তারদের কারনে সাধারন রোগীরা সঠিক স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানাগেছে, ৫০ শয্যা বিশিষ্ট এই হাসপাতালে ৩২জন মেডিকেল অফিসার থাকার কথা থাকলেও বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন নওগাঁ জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ মমিনুল ইসলাম এবং আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ খালিদ সাইফুল্লাহ আরো সহ ৩জন।

এদিকে ৫০ শয্যার এ হাসপাতালে আগত রোগীদের অভিযোগ, রোগীর চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত ঔষধ সরবরাহ না থাকায় তাদের বেশীর ভাগ ঔষধ পত্রই বাইরে থেকেই কিনতে হয়। বহির্বিভাগে রোগীর চাহিদা অনুযায়ী ডাক্তারী সেবা না পাওয়ার অভিযোগ করে আসছেন। এবাদেও জরুরী বিভাগে আসা এ্যাক্সিডেন্ট সহ অন্যান্য আঘাত প্রাপ্ত রোগীদের ইঞ্জেকশন, ড্রেসিং, ব্যান্ডিজ সহ জরুরী চিকিৎস্যা সেবা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ওয়ার্ড বয়, সুইপাররাই করে থাকে বলেও রোগীদের অভিযোগ রয়েছে। ফলে বাধ্য হয়ে অনেক রোগী এলাকার প্রাইভেট ক্লিনিক গুলোতে চিকিৎস্যার জন্য গিয়ে মানষিক ও অর্থনৈতিক হয়রানির শিকার হয়ে থাকে।

গত ১২জুন মঙ্গলবার রোগীদের অভিযোগে জানাগেছে, হাসপাতাল চলাকালীন সময় জরুরী বিভাগে একজন ডাক্তার থাকলেও পুরো স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আবাসিক ডাক্তার সহ অন্যান্য কোন ডাক্তার ছিলনা। একারনে চিকিৎস্যা নিতে আসা গরীব অসহায় রোগীরা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে হতাশ হয়ে বাড়ি ফিরছে। এবাদেও জরুরী বিভাগ সহ বৈকালিক চিকিৎস্যা সেবাও মূখ থুবড়ে পড়েছে। বেশীর ভাগ সময়ই সহকারী ডাক্তারদের দায় সারা চিকিৎস্যা সহ নানা রকম পরীক্ষা, নিরীক্ষার অজুহাতে রোগীদেরকে বিভিন্ন ডায়াগনিস্টিক সেন্টারে পাঠানোর অভিযোগ নিত্য নৈমিত্তিক। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসা সাধারন রোগীরা বাধ্য হয়ে এসব সহকারী ডাক্তারদের খপ্পড়ে পড়ে ডায়াগনিস্টিক সেন্টারে যেতে বাধ্য হলেও প্রকৃত সু-চিকিৎস্যা থেকে তারা বঞ্চিত হচ্ছে। অপরদিকে হাসপাতাল চলাকালীন সময়ে জরুরী বিভাগ সহ এসব ডাক্তারদের ভিজিট করতে আসা ঔষধ কোম্পনীর প্রতিনিধিদের উপচে পড়া ভিড়েও রোগীরা নাজেহাল হয়ে পড়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেক রোগীরাই অভিযোগ করে বলেন, আবাসিক ডাক্তার খালিদ সাইফুল্লাহ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বসা অবস্থায় ঔষধ কোম্পানীর প্রতিনিধিদের বেশীরভাগ সময় দেয়ায় সাধারন রোগীরা তার সাথে কথা বলতে পারেনা। এবাদেও তিনি প্রতিনিয়তই ডায়াগনিস্টিক সেন্টারে আল্ট্রা¯েœা সহ রোগী দেখে থাকেন।

উপরোক্ত বিষয়ে মঙ্গলবার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চলাকালীন সময়ে পতœীতলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক ডাক্তার (আরএমও) ডাঃ খালিদ সাইফুল্লাহকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে না পেয়ে মোবাইল ফোনে তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সেসময় স্থানীয় একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে থাকা অবস্থায় বলেন, এসময় তার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কোন ডিউটি নেই। তার ডিউটি বিকেলে। 

এব্যাপারে রোগীদের অভিযোগের ভিত্তিতে পতœীতলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য কর্মকর্তার অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা নওগাঁ জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ মমিনুল ইসলাম (ভারপ্রাপ্ত) এর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযেগ করা হলে তিনি আবাসিক ডাক্তারের দায়িত্ব সমন্ধে বলেন, এসময় ঐ ডাক্তারের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে থাকাটাই উচিত ছিল। সে অফিস চলাকালীন সময়ে কোন ভাবেই বাহিরের ক্লিনিকে রোগী দেখতে পারেনা। তবে উপরোক্ত অনিয়ম সহ এ বিষয়টি সুষ্ঠু ভাবে দেখার আশ্বাস প্রদান করেন।

এবিষয়ে পতœীতলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা পারভীনের সাথে যোগযোগ করা হলে তিনি বিষয় গুলো দেখবেন বলে আশ্বস্থ করেন।
########
ব্রেলভীর চৌধুরী 
নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি।
০১৭২২ ৪৫৫৯১৫।
ভজিএিফ এর ১৮ বস্তা চালসহ জনতার হাতে কাউন্সলির আটক

ব্রলেভীর চৌধুরী, নওগাঁ জলো প্রতনিধিঃি নওগাঁর নজপিুর পৌরসভার উদ্যোগে বৃহস্পতবিার প্রান্তকি র্পযায়ে ভজিএিফ এর চাল বতিরনকালে সখোন থকেে চাল গোপনে সরানোর সময় পৌরসভার ২নং ওর্য়াড কাউন্সলির অরুণ পালকে ১৮ বস্তা চাল সহ হাতনোতে আটক করছেে চাল নতিে আসা ভজিএিফ র্কাডধারীরা সহ এলাকাবাসী। 

জানাগছে,ে জলোর পত্নীতলায় উপজলো সদর নজপিুর পৌরসভার উদ্যোগে বৃহষ্পতবিার ঈদুল ফতির উপলক্ষে নজপিুর নতুনহাট এলাকার কৃষি বপিনন কন্দ্রেে পৌরসভার ৯টি ওর্য়াডরে ৪৬২১ জনকে র্কাডরে মাধ্যমে ১০ কজেি করে প্রান্তকি র্পযায়ে ভজিএিফ এর চাল বতিরন র্কাযক্রম শুরু হয়। এসময় ময়ের রজোউল কবরি চৌধুরী বাবু প্রত্যকে ভজিএিফ র্কাড ধারীদরে ১০ কজেি করে চাল বুঝয়িে নয়োর ঘোষনা দয়োর কছিুক্ষন পরইে ভজিএিফরে চাল গোপনে সরানোর সময় পৌরসভার ২নং ওর্য়াডরে কাউন্সলির অরুন পালকে ১৮ বস্তা চাল সহ চাল নতিে আসা ভজিএিফ র্কাডধারীরা ও এলাকাবাসী হাতনোতে আটক করে অবরুদ্ধ করে রাখ।ে এঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যরে সৃষ্টি হয়। পরে পরস্থিতিি নয়িন্ত্রনে আনতে সখোনে পুলশি মোতায়নে করা হয়।

এসময় ঘটনার কথা জনেে উপজলো নর্বিাহী র্কমর্কতা মাহমুদা পারভীন, অতরিক্তি পুলশি সুপার পত্নীতলা র্সাকলে তারকে জুবায়রে, উপজলো প্রকল্প বাস্তবায়ন র্কমর্কতা (পআিইও) মাহবুবুর রহমান ঘটনাস্থলে উপস্থতি হলে উপস্থতি চাল নতিে আসা ভজিএিফ র্কাডধারী ও এলাকাবাসী উক্ত কাউন্সলির অরুন পালকে আটকরে দাবী করলওে কৌশলে তারা দায়ত্বি এড়য়িে ঐ কাউন্সলিরকে ছড়েে দয়িে পৌর ময়েরকে পুনরায় চাল বন্টনরে দায়ত্বি দয়িে ঘটনাস্থল ত্যাগ করনে।

এবষিয়ে উপজলো প্রকল্প বাস্তবায়ন র্কমর্কতা (পআিইও) মাহবুবুর রহমানরে সাথে যোগাযোগ করা হলে তনিি জানান, পৌরসভার ভজিএিফরে চাল বরাদ্দ সমন্ধে তার কছিু জানা নইে। তবে তনিি আরো জানান, উপজলোর ১১টি ইউপরি ১৩ হাজার ৩৬৩জন ভজিএিফ র্কাডধারীকে ঈদুল ফতির উপলক্ষে বুধবার এবং বৃহষ্পতবিার সরকারী ভাবে ১৩৩.৬৩০ মঃেটন চাল বতিরন করা হয়ছে।ে 

এব্যাপারে উপজলো নর্বিাহী র্কমর্কতা মাহমুদা পারভীনরে সাথে যোগাযোগ করা হলে তনিি জানান, খবর পয়েে তনিি ঘটনাস্থল পরর্দিশন করছেনে। তনিি আরো জানান, পৌরসভার চাল বতিরনরে ব্যাপারে উপজলো প্রশাসনরে কোন হাত নইে। তবে তনিি পৌর ময়েরকে সুষ্ঠু ভাবে চাল বতিরনরে জন্য বলছেনে।
#########
পত্নীতলায় ৫০ শয্যা বশিষ্টি স্বাস্থ্য কমপ্লক্সেে ডাক্তার সংকট সহ নানা অনয়িম, রোগীরা চকিৎিসা সবো থকেে বঞ্চতি

ব্রলেভীর চৌধুরী, নওগাঁ জলো প্রতনিধিঃি নওগাঁ জলোর পরইে অতি গুরুত্ব র্পূন পত্নীতলা উপজলো। এ উপজলোয় প্রায় আড়াই লক্ষ মানুষরে বসবাস। উপজলোর মানুষ গুলোর সবোর জন্য আছে ৫০ শয্যা বশিষ্টি স্বাস্থ্য কমপ্লক্সে। এই উপজলোটি জলোর মধ্যর্বতী হওয়ায় আশপোশরে অন্যন্য উপজলোর রোগীরাও পত্নীতলা স্বাস্থ্য কমপ্লক্সেে এসে থাক।ে স্বাস্থ্য কমপ্লক্সেে ডাক্তার সংকট সহ নানা অনয়িমে রোগীরা স্বাস্থ্য সবো থকেে বঞ্চতি হচ্ছ।ে

৫০ শয্যা বশিষ্ট্যি পত্নীতলা স্বাস্থ্য কমপ্লক্সেে আধুনকি চকিৎিসা ব্যবস্থার প্রায় সব উপকরনসহ রোগীদরে জন্য বহু মূল্যবান ঔষধ পত্র ও অন্যান্য সুযোগ সুবধিার ব্যবস্থা থাকলওে এর সুযোগ সুবধিা থকেে সাধারন ও হতদরদ্রি রোগীরা বঞ্চতি হচ্ছ।ে রোগীদরে ন¤িœ মানরে খাবার, ঔষধ হরলিুট ও নানা অনয়িম সহ রোগীদরে সাথে র্কতব্যরত স্টাপ ও র্নাসদরে র্দূব্যবহারে রোগীরা নাজহোল। এছাড়াও স্বাস্থ্য কমপ্লক্সেরে কছিু অসাধু স্টাফদরে সহযোগীতায় রোগীদরে বাহরিরে ব্যাঙরে ছাতার মত গড়ে ওঠা ক্লনিকি ও ডায়াগনস্টকি সন্টোর গুলোতে পরীক্ষা-নরিীক্ষা ও চকিৎিসা অপারশেনসহ এম.আর, ড.িএন.সি করার জন্যও কৌশলে পাঠানো হয়।

পত্নীতলা স্বাস্থ্য কমপ্লক্সেে চাহদিা অনুযায়ী প্রসূতী সজিার সহ অন্যান্য ছোট-খাট অপারশেনরে ব্যবস্থা থাকলওে বশিষেজ্ঞ ডাক্তার র্নাসরে অভাবে রোগীদরে পোহাতে হচ্ছে ভোগান্ত।ি স্বাস্থ্য কমপ্লক্সেটতিে বড়েে গছেে ঔষধ কোম্পানরি প্রতনিধিি সহ ক্লনিকি ডায়াগনস্টকি সন্টোররে দালালদরে দৌরাত্ব।  রোগীদরে অভযিোগ স্বাস্থ্য কমপ্লক্সেরে প্যাথলজি পরীক্ষা করা রোগীদরেও স্বাস্থ্য কমপ্লক্সেরে অনকেরে সহযোগীতায় এলাকার বশে কছিু ক্লনিকি ডায়াগোনস্টকি সন্টোরে সুকৌশলে নয়িে যাওয়া হয়।

সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে গ্রামরে হতদরদ্রি অসহায় রোগীদরে স্বাস্থ্য সবো নশ্চিতি করার লক্ষে স্বাস্থ্য কমপ্লক্সেরে বভিন্নি সুযোগ সুবধিা বাড়য়িে আধুনকি যন্ত্রপাতরি ব্যবস্থা করলওে র্দীঘদনি যাবৎ র্কতৃপক্ষরে সুষ্ঠু তদারকি ও অব্যবস্থাপনা এবং স্বাস্থ্য কমপ্লক্সেে র্কমরত ডাক্তারদরে কারনে সাধারন রোগীরা সঠকি স্বাস্থ্য সবো থকেে বঞ্চতি হচ্ছ।ে

স্বাস্থ্য কমপ্লক্সে সূত্রে জানাগছে,ে ৫০ শয্যা বশিষ্টি এই হাসপাতালে ৩২জন মডেকিলে অফসিার থাকার কথা থাকলওে র্বতমানে ভারপ্রাপ্ত হসিাবে দায়ত্বি পালন করছনে নওগাঁ জলো সভিলি র্সাজন ডাঃ মমনিুল ইসলাম এবং আবাসকি মডেকিলে অফসিার ডাঃ খালদি সাইফুল্লাহ আরো সহ ৩জন।

এদকিে ৫০ শয্যার এ হাসপাতালে আগত রোগীদরে অভযিোগ, রোগীর চাহদিা অনুযায়ী র্পযাপ্ত ঔষধ সরবরাহ না থাকায় তাদরে বশেীর ভাগ ঔষধ পত্রই বাইরে থকেইে কনিতে হয়। বহর্বিভিাগে রোগীর চাহদিা অনুযায়ী ডাক্তারী সবো না পাওয়ার অভযিোগ করে আসছনে। এবাদওে জরুরী বভিাগে আসা এ্যাক্সডিন্টে সহ অন্যান্য আঘাত প্রাপ্ত রোগীদরে ইঞ্জকেশন, ড্রসেংি, ব্যান্ডজি সহ জরুরী চকিৎিস্যা সবো স্বাস্থ্য কমপ্লক্সেরে ওর্য়াড বয়, সুইপাররাই করে থাকে বলওে রোগীদরে অভযিোগ রয়ছে।ে ফলে বাধ্য হয়ে অনকে রোগী এলাকার প্রাইভটে ক্লনিকি গুলোতে চকিৎিস্যার জন্য গয়িে মানষকি ও র্অথনতৈকি হয়রানরি শকিার হয়ে থাক।ে

গত ১২জুন মঙ্গলবার রোগীদরে অভযিোগে জানাগছে,ে হাসপাতাল চলাকালীন সময় জরুরী বভিাগে একজন ডাক্তার থাকলওে পুরো স্বাস্থ্য কমপ্লক্সেে আবাসকি ডাক্তার সহ অন্যান্য কোন ডাক্তার ছলিনা। একারনে চকিৎিস্যা নতিে আসা গরীব অসহায় রোগীরা স্বাস্থ্য কমপ্লক্সে থকেে হতাশ হয়ে বাড়ি ফরিছ।ে এবাদওে জরুরী বভিাগ সহ বকৈালকি চকিৎিস্যা সবোও মূখ থুবড়ে পড়ছে।ে বশেীর ভাগ সময়ই সহকারী ডাক্তারদরে দায় সারা চকিৎিস্যা সহ নানা রকম পরীক্ষা, নরিীক্ষার অজুহাতে রোগীদরেকে বভিন্নি ডায়াগনস্টিকি সন্টোরে পাঠানোর অভযিোগ নত্যি নমৈত্তিকি। স্বাস্থ্য কমপ্লক্সেে আসা সাধারন রোগীরা বাধ্য হয়ে এসব সহকারী ডাক্তারদরে খপ্পড়ে পড়ে ডায়াগনস্টিকি সন্টোরে যতেে বাধ্য হলওে প্রকৃত সু-চকিৎিস্যা থকেে তারা বঞ্চতি হচ্ছ।ে অপরদকিে হাসপাতাল চলাকালীন সময়ে জরুরী বভিাগ সহ এসব ডাক্তারদরে ভজিটি করতে আসা ঔষধ কোম্পনীর প্রতনিধিদিরে উপচে পড়া ভড়িওে রোগীরা নাজহোল হয়ে পড়ছে।ে

নাম প্রকাশে অনচ্ছিুক অনকে রোগীরাই অভযিোগ করে বলনে, আবাসকি ডাক্তার খালদি সাইফুল্লাহ স্বাস্থ্য কমপ্লক্সেে বসা অবস্থায় ঔষধ কোম্পানীর প্রতনিধিদিরে বশেীরভাগ সময় দয়োয় সাধারন রোগীরা তার সাথে কথা বলতে পারনো। এবাদওে তনিি প্রতনিয়িতই ডায়াগনস্টিকি সন্টোরে আল্ট্রা¯œো সহ রোগী দখেে থাকনে।

উপরোক্ত বষিয়ে মঙ্গলবার স্বাস্থ্য কমপ্লক্সে চলাকালীন সময়ে পত্নীতলা স্বাস্থ্য কমপ্লক্সেরে আবাসকি ডাক্তার (আরএমও) ডাঃ খালদি সাইফুল্লাহকে স্বাস্থ্য কমপ্লক্সেে না পয়েে মোবাইল ফোনে তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তনিি সসেময় স্থানীয় একটি ডায়াগনস্টকি সন্টোরে থাকা অবস্থায় বলনে, এসময় তার স্বাস্থ্য কমপ্লক্সেে কোন ডউিটি নইে। তার ডউিটি বকিলে।ে 

এব্যাপারে রোগীদরে অভযিোগরে ভত্তিতিে পত্নীতলা স্বাস্থ্য কমপ্লক্সেরে স্বাস্থ্য র্কমর্কতার অতরিক্তি দায়ত্বিে থাকা নওগাঁ জলো সভিলি র্সাজন ডাঃ মমনিুল ইসলাম (ভারপ্রাপ্ত) এর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযগে করা হলে তনিি আবাসকি ডাক্তাররে দায়ত্বি সমন্ধে বলনে, এসময় ঐ ডাক্তাররে স্বাস্থ্য কমপ্লক্সেে থাকাটাই উচতি ছলি। সে অফসি চলাকালীন সময়ে কোন ভাবইে বাহরিরে ক্লনিকিে রোগী দখেতে পারনো। তবে উপরোক্ত অনয়িম সহ এ বষিয়টি সুষ্ঠু ভাবে দখোর আশ্বাস প্রদান করনে।

এবষিয়ে পত্নীতলা উপজলো নর্বিাহী র্কমর্কতা মাহমুদা পারভীনরে সাথে যোগযোগ করা হলে তনিি বষিয় গুলো দখেবনে বলে আশ্বস্থ করনে।
########
ব্রলেভীর চৌধুরী 
নওগাঁ জলো প্রতনিধি।ি

Post a Comment

Post Bottom Ad

Pages