ঝালকাঠির রাজাপুরে জাঙ্গালীয়া নদী থেকে নারীর মরদেহের কিছু অংশ উদ্ধার ॥ - অনলাইন দৈনিক সমবাদ,সত্য সংবাদ প্রকাশে ২৪ঘন্টা,True News publish the 24 hours "Online Daily Samobad"

শিরোনাম

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Thursday, April 06, 2017

ঝালকাঠির রাজাপুরে জাঙ্গালীয়া নদী থেকে নারীর মরদেহের কিছু অংশ উদ্ধার ॥



www.samobad.com :: সমবাদ ডট কম ॥

মো:খায়রুল ইসলাম পলাশ,নিজস্ব প্রতিবেদক: ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায় এক নারীর দুই টুকরো মরদেহ নদী থেকে উদ্ধার করছে রাজাপুর থানা পুলিশ। বুধবার দুপুরে উপজেলার বড়ইয়া ইউনিয়নের কলাকোপা গ্রামের জাঙ্গালীয়া নদীতে ভাসমান অবস্থায় বাম হাতের আঙুলসহ হাতের কব্জি স্তনসহ বাম বুকের একটি টুকরো উদ্ধার হয়।
নারীকে তার স্বামী কিছুদিন আগে হত্যা করে লাশ গোপন করতে নদীতে ফেলে দিয়েছিল  বলে নিহতের দুই ভাইসহ স্বজনরা লাশ সনাক্ত করে জানান।
পুলিশ জানিয়েছে, ৩০ মার্চ  রাতে রাজাপুর উপজেলার সাউথপুর গ্রামে সীমা আক্তার নামে এক গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগে তার স্বামী মিজান খন্দকারকে গ্রেপ্তার পুলিশ। বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার সময় তাকে ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করে তাকে ঝালকাঠি আদালতে তোলা হয়। বর্তমানে সে ৫দিনের পুলিশ রিমান্ডে রয়েছে।
এদিকে লাশ উদ্ধারের খবর পেয়ে সীমার ভাইসহ পরিবারের লোকজন নদী তীরে এসে লাশের টুকরো দেখেই তা সীমার বলে সনাক্ত করেছেন।
তারা জানিয়েছেন নদী থেকে উদ্ধার হওয়া টুকরো দুটি সীমার লাশের। তারা আরও জানায়, পিরোজপুর জেলার খামকাটা গ্রামের প্রয়াত আমজেদ হোসেনের মেয়ে সীমা রাজাপুর বাঁশতলা গ্রামের কাশেম খন্দকারের ছেলে মিজান খন্দকারের দ্বিতীয় স্ত্রী ছিলেন।  স্বামী মিজান এতদিন সৌদি প্রবাসে ছিলেন। সম্প্রতি তিনি ছুটিতে দেশে এসে সীমাকে বাবার বাড়ি পিরোজপুর থেকে ঝালকাঠির রাজাপুরে নিয়ে আসে স্বামী মিজান। এরপর গত ৩০ মার্চ রাতে সীমাকে রাজাপুর উপজেলার সাউথপুর গ্রামে এনে হত্যা করার পর লাশ নদীতে ফেলে দেয়।
মিজান খন্দকার রাজাপুর বাঁশতলা গ্রামের কাশেম খন্দকারের ছেলে।
ঝালকাঠি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আব্দুর রকিব জানান, লাশের টুকরো দুটি নারীর, তা নিশ্চিত। প্রাথমিক ভাবে মনে হচ্ছে এটা সীমার লাশের অংশ তবে চুরান্ত ভাবে নিশ্চিত হতে ডিএনএ পরীক্ষা করে দেখা হবে,বলেন পুলিশ কর্মকর্তা।
উল্লেখ্য, ঘটনায় নিহত সিমার বড়ভাই মাজেদুর ইসলাম বাদী হয়ে জনকে আসামী করে রোববার (০২এপ্রিল) রাজাপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নম্বর-০১।
আসামীরা হলেন- নিহত সিমা আক্তারের স্বামী মিজান খন্দকার, তার ভাই সবুজ খন্দকার  বোন শাহনাজ বেগম তার ভগ্নিপতি মিজান হাওলাদার।
Post a Comment

Post Bottom Ad

Pages